বাছাই করা পাকা তেঁতুল, খাঁটি সরিষার তেল, টেলে নেওয়া পাঁচফোড়ন ও ভাজা মরিচের সুগন্ধে তৈরি ঐতিহ্যবাহী ঘরোয়া টক-ঝাল-মিষ্টি তেঁতুল আচার। খাবারে রুচি ফেরাতে ও মুখের স্বাদ বদলে এটি অনন্য। শতভাগ কেমিক্যাল ও কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ মুক্ত।
জিভে জল আনা খাঁটি ঘরোয়া আচারের স্বাদ নিয়ে এলো আমাদের স্পেশাল টক-ঝাল-মিষ্টি তেঁতুল আচার। সম্পূর্ণ দেশীয় পাকা তেঁতুলের ঘন পাল্পের সাথে খাঁটি সরিষার তেল, স্পেশাল টেলে নেওয়া মশলা এবং হালকা মিষ্টির এক জাদুকরী মিশ্রণে এটি তৈরি।
খাবারে অরুচি দূর করতে বা ক্লান্ত দুপুরে মুখের একঘেয়েমি কাটাতে এই আচারের একটি চামচই যথেষ্ট। খিচুড়ি, বিরিয়ানি, ডাল-ভাত কিংবা চটপটি-ফুচকার সাথে এই আচারের জুড়ি মেলা ভার।
আমাদের তেঁতুল আচারের বিশেষত্ব:
প্রাকৃতিক উপাদান: খাঁটি পাকা তেঁতুল ও স্বাস্থ্যকর মসলার নিখুঁত ব্লেন্ড।
রসালো ও ঘন টেক্সচার: পাতলা ঝোল নয়, বরং গাঢ় মসলাদার পাল্পে ভরপুর।
কেমিক্যাল মুক্ত: কোনো কৃত্রিম রঙ, ক্ষতিকর এসেন্স বা প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয় না।
রুচি বর্ধক: টক, ঝাল ও মিষ্টির ব্যালেন্স মুখের তিক্ত ভাব দূর করে রুচি বাড়াতে সাহায্য করে। গর্ভবতী মায়েদের মুখের স্বাদ ফেরাতেও এটি বেশ সমাদৃত।
স্বাস্থ্যসম্মত প্যাকেজিং: ফুড গ্রেড জারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্যাক করা।
ব্যবহারের পরামর্শ (Serving Suggestions):
ভুনা খিচুড়ি, পোলাও বা সাদা ভাতের সাথে তৃপ্তি সহকারে খেতে পারেন।
চটপটি, ফুচকা, শিঙাড়া বা সমুচার সাথে সস/চাটনি হিসেবে দারুণ মানানসই।
মুখের স্বাদ বদলাতে স্ন্যাক্স হিসেবে শুধু মুখেও উপভোগ করতে পারেন।
সংরক্ষণ পদ্ধতি:
আচারে সবসময় শুকনো ও পরিষ্কার চামচ ব্যবহার করুন।
ব্যবহারের পর বয়ামের মুখ শক্ত করে আটকে সাধারণ তাপমাত্রায় শুষ্ক জায়গায় রাখুন।
দীর্ঘদিন ভালো রাখতে মাঝে মাঝে রোদে দিন অথবা ফ্রিজের নরমাল চেম্বারে সংরক্ষণ করুন।
0টি রিভিউ
রিভিউ লিখতে লগইন করুন
লগইন করুনঅনলাইন সাহায্য চাইলে ক্লিক করুন